যোহরের নামাজের সময়

যোহরের নামাজের আজকের শেষ সময়ে কবে এবং কিংবা জোহরের নামাজের সময় হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে এখান থেকে জেনে নিন।

জোহরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু
12:01 pm

প্রত্যেক জেলার আজকের নামাজের সময়সূচি

যোহরের নামাজ কয় রাকাত?

জোহরের নামাজ সর্বমোট ১২ রাকাত। এবার এই ১২ রাকাত নামাজ এর মধ্যে আপনি যদি ফরজ সুন্নত এবং নফল হিসাবে নিতে চান, তাহলে নিম্নলিখিত হিসাবের মত হবে।

যোহরের নামাজের রাকাত সংখ্যা মধ্যে, সুন্নত নামাজের সংখ্যা সর্বমোট ৬ রাকাত এবং ফরজ নামাজের সংখ্যায় চার রাকাত। এছাড়া নফল হিসেবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা যেতে পারে।

সুন্নত নামাজের মধ্যে প্রথমত চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করে নিতে হবে। এবং তারপরে আলাদা করে আবার দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করে নিতে হয়।

ফরজ নামাজ মসজিদে গিয়ে আদায় করতে হবে। ফরজ নামাজ চার রাকাত একইসাথে আদায় করে নিতে হবে।

এছাড়াও সর্বশেষে আপনি চাইলে নফল হিসেবে দুই রাকাত যোহরের নামায আদায় করতে পারবেন।

এবার সমস্ত রাকাত সংখ্যা আপনি যদি একসাথে করেন, তাহলে দেখতে পারবেন জোহরের নামাজের মোট রাকাত সংখ্যা হল বারো। অর্থাৎ জোহরের নামাজ ১২ রাকাত।

যোহর নামাজের নিয়ম

জোহরের নামাজের নিয়ম খুবই স্বাভাবিক এবং সাধারন। আপনি অন্যান্য নামাজ যেভাবে আদায় করেন, জোহরের নামাজ ঠিক একইভাবে আদায় করবেন।

এক্ষেত্রে প্রথমত, সুন্নত নামাজ হিসেবে চার রাকাত একসাথে আদায় করে নিতে হবে। তারপরে ফরজ নামাজ চার রাকাত আদায় করে নিতে হবে।

এবং তারপরে সুন্নত নামাজ আবার দুই রাকাত এবং সর্বশেষে নফল নামাজ দুই রাকাত আদায় করে নিতে হবে।

অন্যান্য নামাজ আপনি যেভাবে আদায় করেন ঠিক ওইরকম ভাবে সুন্নত এবং ফরজ নামাজ আদায় করে নিবেন।

যোহরের নামাজের সময় নির্ধারন

মধ্যাহ্নে সূর্য তার সর্বোচ্চ স্থান থেকে কিছুটা হেলে পড়ার পর পরই নামাজ আদায় করে নেয়া ভাল। তবে সূর্যকিরণ যখন বেশ উত্তপ্ত থাকে, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে একটু দেরিতে অর্থাৎ সূর্যের তেজ কিছুটা কমে এলে নামাজ আদায় করে নেয়ার অবকাশ রয়েছে।

এক্ষেত্র বিশেষে আছরের সময় হওয়া পর্যন্ত নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে। যদি কোন কারণে ফরজের পূর্বে চার রাকাত সুন্নত আদায় করতে না পারে, তাহলে ফরজের পরে আদায় করে নিবে।

যোহরের নামাজের ফজিলত

যোহর নামাজ সম্পর্কিত যে হাদীসটি আপনাকে জানিয়ে দেয়া উত্তম, সেটি নিচে তুলে ধরা হলো।

আবু সুফিয়ান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার বোন উম্মে হাবিবা (রা.) (প্রিয় নবীজীর সা. বিবি) কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘আমি স্বয়ং রাসুল (সা.) থেকে শুনেছি, তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি জোহরের নামাজের পূর্বের এবং পরের সুন্নত নামাজের পূর্ণ খেয়াল রাখবে (নিয়মিত আদায় করবে), মহান আল্লাহ তায়ালা তার থেকে জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ১/৫৫৪)